স্থানান্তরে ব্যর্থ ট্যানারী মালিকদের প্লট বাতিল ও জরিমানা আদায় করা হোক হাজারীবাগের ট্যানার
হাজারীবাগের ট্যানারীসমূহ দীর্ঘ ৬৫ বছর বুড়িগঙ্গা নদী দূষণ করে যাচ্ছে।  মৎস্য ও জলজ প্রাণীর বিলুপ্তিসহ বুড়িগঙ্গার পানি শিল্প, কৃষি, গৃহস্থালী কাজে এবং পরিশোধন করেও খাবার পানি হিসেবে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রের আইন ও সরকারের নির্দেশ অমান্য করে পরিচালিত হাজারীবাগের ট্যানারীসমূহ বন্ধ করা এবং সাভারে স্থানান্তরে ব্যর্থ কারখানাসমূহের প্লট বাতিল করে পরিবেশ দূষণের দায়ে ট্যানারী মালিকদের থেকে জরিমানা আদায় করতে হবে। পাশাপাশি সাভারের ট্যানারী শিল্প এলাকায় স্থাপনাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ, পানি এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। ২৮ মে ২০১৬, শনিবার পবা কার্যালয়ে ট্যানারী স্থানান্তরের বর্তমান অবস্থা ও করণীয় শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
বৈচিত্র্য সুরক্ষা করি, সকলে মিলে স্বদেশ গড়ি শ্লোগানে সকল প্রাণ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রত

 
আয়তনে ছোট হলেও  বাংলাদেশ  বৈচিত্র্য বৈভবে দুনিয়ায় অনন্য। ৩০টি কৃষি প্রতিবেশ, ১৭টি হাইড্রলজিক্যাল অঞ্চল, ২৩০টি নদ-নদী, দুনিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য, দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, হাজারো ধানের জাত, ৪৫ জাতিসত্তা নিয়ে পৃথিবীর বুকে এক আশা জাগানিয়া স্বপ্ন ভূমির নাম বাংলাদেশ। এখানে মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি, স্তন্যপায়ী  প্রাণীর প্রজাতি ১১৩, পাখি প্রজাতি ৬৩০, সরীসৃপ ১২৫, ২২ প্রজাতির উভচর, ২৬০ প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ, সামুদ্রিক মাছ প্রজাতি ৪৭৫, ৩২৭ জাতের খোলসযুক্ত প্রাণী। বাংলাদেশ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২০১০ সনে ৪র্থ প্রাণ বৈচিত্র্য অবস্থানপত্র তৈরি করে। এতে দেশে ১৬ প্রজাতির এনডেমিক উদ্ভিদ সহ প্রায় ৩,৬১১ প্রজাতির সপুষ্পরক উদ্ভিদের সংখ্যা নথিভূক্ত করা হয়েছে। অবস্থানপত্রে এক হাজার প্রজাতির ভেষজ উদ্ভিদের কথা বলা হয়েছে। বাঘের অঞ্চল হিসেবে খ্যাত বাংলাদেশ ক্রমেই বাঘ শূণ্য হয়ে পড়ছে। শুধুমাত্র সুন্দর বনই এখন বাংলা বাঘের শেষ আবাস। ২০০৪ সনের এক জরিপে দেখা যায় সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ৪৪০, ২০০৬ সনে দেখা যায় ২০০ এবং সর্বশেষ ২০১৫ সনের জরিপে বাঘের সংখ্যা জানা যায় ১০৬টি। বাঘের মতই কমছে ধানের দেশে ধান জাতের বৈচিত্র্য। বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ১৯৮২ সনের জরিপে দেখায় দেশি ধানের জাত সংখ্যা ১২,৪৮৭। ২০১৪ সনে তারা জানায় জাত সংখ্যা  সাতহাজার। বৈচিত্র্য সুরক্ষা ও সকল প্রাণ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞানের লক্ষ্যে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং বারসিকের উদ্যোগে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।



প্রায় শতভাগ সরকারী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী


মহানগরী ঢাকার জনঘনত্বের তুলনায় পাবলিক টয়লেটের পর্যাপ্ততা ও ব্যবহার উপযুক্ততার ভিত্তিতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী অফিস, সিটি করপোরেশন, মার্কেট ও উন্মুক্ত স্থানের টয়লেটসমূহের বর্তমান অবস্থার উপর একটি জরিপ পরিচালনা করে। উক্ত জরিপের ফলাফলে দেখা যায় প্রায় শতভাগ সরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করে সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেটসমূহ পরিষ্কার ও ব্যবহার উপযোগী রাখা জরুরী। জরিপে দেখা যায় নারীদের টয়লেট ব্যবহারে নিরাপত্তাসহ আলাদা ব্যবস্থা নাই। নারীদের টয়লেট ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় অধিকাংশ নারী ঘরের বাইরে থাকা অবস্থায় পানি কম পান করেন। ফলে তারা পানি স্বল্পতাজনিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগেন। ১৮ মে ২০১৬, সকাল ১১টায় পবা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জরিপে প্রাপ্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তথ্যসমূহ তুলে ধরা হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান এর মূল প্রতিবেদন উপস্থাপনায় এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা: লেলিন চৌধুরী, বিশ্ব গণতান্ত্রিক আইনজীবী পরিষদের সম্পাদক এডভোকেট হাসান তারিক চৌধুরী, বিসিএসআইআর এর খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের পরিচালক ড. ফরমুজুল হক, মডার্ণ ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত, মো: সেলিম, পল্লীমা গ্রীণের সদস্য সচিব আনিসুল হোসেন তারেক, ড.জেবুন্নেসা প্রমুখ।
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম
হাজারীবাগের ট্যানারীসমূহ দীর্ঘ ৬৫ বছর বুড়িগঙ্গা নদী দূষণ করে যাচ্ছে।  মৎস্য ও জলজ প্রাণীর বিলুপ্তিসহ বুড়িগঙ্গার পানি শিল্প, কৃষি, গৃহস্থালী কাজে এবং পরিশোধন করেও খাবার পানি হিসেবে ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রের আইন ও সরকারের নির্দেশ অমান্য করে পরিচালিত হাজারীবাগের ট্যানারীসমূহ বন্ধ করা এবং সাভারে স্থানান্তরে ব্যর্থ কারখানাসমূহের প্লট বাতিল করে পরিবেশ দূষণের দায়ে ট্যানারী মালিকদের থেকে জরিমানা আদায় করতে হবে। পাশাপাশি সাভারের ট্যানারী শিল্প এলাকায় স্থাপনাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ, পানি এবং গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। ২৮ মে ২০১৬, শনিবার পবা কার্যালয়ে ট্যানারী স্থানান্তরের বর্তমান অবস্থা ও করণীয় শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

 
আয়তনে ছোট হলেও  বাংলাদেশ  বৈচিত্র্য বৈভবে দুনিয়ায় অনন্য। ৩০টি কৃষি প্রতিবেশ, ১৭টি হাইড্রলজিক্যাল অঞ্চল, ২৩০টি নদ-নদী, দুনিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য, দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, হাজারো ধানের জাত, ৪৫ জাতিসত্তা নিয়ে পৃথিবীর বুকে এক আশা জাগানিয়া স্বপ্ন ভূমির নাম বাংলাদেশ। এখানে মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি, স্তন্যপায়ী  প্রাণীর প্রজাতি ১১৩, পাখি প্রজাতি ৬৩০, সরীসৃপ ১২৫, ২২ প্রজাতির উভচর, ২৬০ প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ, সামুদ্রিক মাছ প্রজাতি ৪৭৫, ৩২৭ জাতের খোলসযুক্ত প্রাণী। বাংলাদেশ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ২০১০ সনে ৪র্থ প্রাণ বৈচিত্র্য অবস্থানপত্র তৈরি করে। এতে দেশে ১৬ প্রজাতির এনডেমিক উদ্ভিদ সহ প্রায় ৩,৬১১ প্রজাতির সপুষ্পরক উদ্ভিদের সংখ্যা নথিভূক্ত করা হয়েছে। অবস্থানপত্রে এক হাজার প্রজাতির ভেষজ উদ্ভিদের কথা বলা হয়েছে। বাঘের অঞ্চল হিসেবে খ্যাত বাংলাদেশ ক্রমেই বাঘ শূণ্য হয়ে পড়ছে। শুধুমাত্র সুন্দর বনই এখন বাংলা বাঘের শেষ আবাস। ২০০৪ সনের এক জরিপে দেখা যায় সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ৪৪০, ২০০৬ সনে দেখা যায় ২০০ এবং সর্বশেষ ২০১৫ সনের জরিপে বাঘের সংখ্যা জানা যায় ১০৬টি। বাঘের মতই কমছে ধানের দেশে ধান জাতের বৈচিত্র্য। বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ১৯৮২ সনের জরিপে দেখায় দেশি ধানের জাত সংখ্যা ১২,৪৮৭। ২০১৪ সনে তারা জানায় জাত সংখ্যা  সাতহাজার। বৈচিত্র্য সুরক্ষা ও সকল প্রাণ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞানের লক্ষ্যে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন


মহানগরী ঢাকার জনঘনত্বের তুলনায় পাবলিক টয়লেটের পর্যাপ্ততা ও ব্যবহার উপযুক্ততার ভিত্তিতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী অফিস, সিটি করপোরেশন, মার্কেট ও উন্মুক্ত স্থানের টয়লেটসমূহের বর্তমান অবস্থার উপর একটি জরিপ পরিচালনা করে। উক্ত জরিপের ফলাফলে দেখা যায় প্রায় শতভাগ সরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা দিনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করে সুতরাং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেটসমূহ পরিষ্কার ও ব্যবহার উপযোগী রাখা জরুরী। জরিপে দেখা যায় নারীদের টয়লেট ব্যবহারে নিরাপত্তাসহ আলাদা ব্যবস্থা নাই। নারীদের টয়লেট ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় অধিকাংশ নারী ঘরের বাইরে থাকা অবস্থায় পানি কম পান করেন। ফলে তারা পানি স্বল্পতাজনিত বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগেন। ১৮ মে ২০১৬, সকাল ১১টায় পবা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জরিপে প্রাপ্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তথ্যসমূহ তুলে ধরা হয়।

পবার সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান এর মূল প্রতিবেদন উপস্থাপনায় এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা: লেলিন চৌধুরী, বিশ্ব গণতান্ত্রিক আইনজীবী পরিষদের সম্পাদক এডভোকেট হাসান তারিক চৌধুরী, বিসিএসআইআর এর খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের পরিচালক ড. ফরমুজুল হক, মডার্ণ ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত, মো:
আমাদের কার্যক্রম
ভিডিও